WelCome To

1mnews01

কাঠালিয়ায় দিনে-দুপুরে দুর্ধর্ষ চুরি: জুমার নামাজের সময় দোকান ভেঙে দুই লাখ টাকা লুট

Header Ads Widget

banner

কাঠালিয়ায় দিনে-দুপুরে দুর্ধর্ষ চুরি: জুমার নামাজের সময় দোকান ভেঙে দুই লাখ টাকা লুট

 ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া বাজারে জুমার নামাজের সময় এক ভয়াবহ ও পরিকল্পিত চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে বাজারের ব্যস্ততা শেষ হতেই এই চুরির ঘটনা ঘটে। নামাজের সময় সুযোগ বুঝে অজ্ঞাতনামা চোরের দল একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।



চুরি হওয়া দোকানের মালিক মাইনুল গাজী একজন প্রতিষ্ঠিত খুচরা ব্যবসায়ী। তিনি জানান, “প্রতি শুক্রবার হাট বসে, তাই সকাল থেকেই দোকানে প্রচুর বিক্রি হয়। জুমার আগে সাড়ে বারোটার দিকে দোকান বন্ধ করে আমি নামাজ পড়তে বাড়ি যাই। ঈদের ছুটি থাকায় ব্যাংক বন্ধ ছিল, তাই গত কয়েকদিনের বিক্রির টাকা সহ আজকের হাটের বিক্রির পুরো টাকাই দোকানের লকারে রেখে যাই।”

তিনি আরও বলেন, “নামাজ শেষ করে ফিরে এসে দেখি দোকানের পেছনের টিন খুলে কেউ ভেতরে ঢুকেছে। লকার খুলে প্রায় দুই লাখ টাকা নিয়ে গেছে। বিষয়টি আমার জন্য অনেক বড় আর্থিক ক্ষতি। এখন বুঝতে পারছি, কেউ আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এই সুযোগটা নিয়েছে।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কচুয়া বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, বাজারের নিরাপত্তাব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। নেই কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা, নাইট গার্ড বা পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। এমনকি দিনে-দুপুরেও কেউ নিরাপদ না, এমন মন্তব্য করেছেন অনেকেই।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির এক সদস্য বলেন, “বাজারে কয়েকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু আজকের ঘটনাটি সবচেয়ে ভয়ংকর। জুমার নামাজের পবিত্র সময়েও চোরেরা হামলা চালাতে দ্বিধা করেনি। এটা প্রমাণ করে আমাদের বাজার কতটা অনিরাপদ।”

এদিকে, ঘটনাটি ঘটলেও এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পুলিশি তদন্ত শুরু করে দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে হবে।

🔍 চুরি প্রতিরোধে ব্যবসায়ীদের দাবি:

  • বাজারে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

  • নিয়মিত পুলিশ টহল

  • রাতের জন্য নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ

  • দোকান মালিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি

এই ঘটনার পর থেকে কচুয়া বাজারজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঈদের পরে এমন দুর্ধর্ষ চুরি বাজারের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

🛑 স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান— বাজারে দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, যাতে আর কোনো ব্যবসায়ীকে এভাবে সর্বস্ব হারাতে না হয়।

Post a Comment

0 Comments