WelCome To

1mnews01

নিম্নকক্ষে পিআর ইস্যু কমিশনের বৈঠকে আলোচনায় না থাকলেও মাঠে ধর্মভিত্তিক দলগুলো

Header Ads Widget

banner

নিম্নকক্ষে পিআর ইস্যু কমিশনের বৈঠকে আলোচনায় না থাকলেও মাঠে ধর্মভিত্তিক দলগুলো

নিম্নকক্ষে পিআর ইস্যু কমিশনের বৈঠকে আলোচনায় না থাকলেও মাঠে ধর্মভিত্তিক দলগুলো

নিম্নকক্ষে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ঐকমত্য কমিশনে কোনো আলোচনা হয়নি। এমনকি সংবিধান সংস্কার কিংবা নির্বাচন সংস্কার কমিশনও এ বিষয়ে কোনো প্রস্তাব দেয়নি। ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অংশ নেওয়া দু’টি দল জানিয়েছে এ তথ্য।

তবে তারা বলছে, বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিলেও কমিশন উচ্চকক্ষে পিআরের পক্ষে মত দিয়েছে। এ অবস্থায় জামায়াতে ইসলামীসহ ৭ দলের নিম্নকক্ষে পিআরের দাবি ও আন্দোলনকে অনেকে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন,
“ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে উচ্চকক্ষে পিআর নিয়ে কিছু আলোচনা হলেও আমরা এর মধ্যে নেই। কারণ আমরা দ্বি-কক্ষ সংসদের বিরোধী। নিম্নকক্ষে পিআর কমিশনের আলোচনায় আসেইনি।”

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন,
“নিম্নকক্ষে পিআরের জন্য জনগণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলো এখনও প্রস্তুত নয়। মনস্তাত্ত্বিকভাবেও আমরা এর জন্য প্রস্তুত নই।”

বিশ্লেষকদের মত

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক আসিফ শাহান মনে করেন, নিম্নকক্ষে পিআর প্রবর্তন করলে সরকার অস্থিতিশীল হতে পারে। তিনি বলেন,
“এখানে সরকার ভাঙা-গড়ার ঝুঁকি থাকবে। আপনার এলাকার এমপি কে তা আপনি নির্বাচিত করছেন না—এ বিষয়গুলো বিবেচনা করেই কমিশন নিম্নকক্ষে পিআরের প্রস্তাব দেয়নি। কিন্তু জামায়াত এসব মাথায় রাখছে না। সংসদীয় আসনের সমাধান কীভাবে হবে, সেটিরও উত্তর জামায়াত দিচ্ছে না।”

ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মাঠের কর্মসূচি প্রসঙ্গে সাইফুল হক বলেন, “হয়তো নির্বাচনী সমীকরণে পক্ষে-বিপক্ষে, কিংবা আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেন-দরবারের ক্ষেত্র তৈরি করার জন্য এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখা যেতে পারে।”

অধ্যাপক আসিফ শাহান আরও বলেন,
“নির্বাচন কবে হবে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরবে কি না—সব কিছুই জিও-রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। জামায়াত আন্দোলন করছে, ভালো কথা; কিন্তু তারা স্পষ্ট করছে না কোথায় এসে থামবে।”

আশঙ্কা

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পিআর নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো যদি মুখোমুখি অবস্থান থেকে না সরে আসে, তবে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও বাড়বে। একইসাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিরও ঝুঁকি রয়েছে।


Post a Comment

0 Comments